প্রশ্নোত্তর: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ



প্রশ্ন: 

ট্রাম্পের দ্বিধাদ্বন্দ্বপূর্ণ বক্তব্যের তাৎপর্য কী- যেখানে সে ইরানকে প্রথমে ৪৮ ঘণ্টা, এরপর ৫ দিন, তারপর ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিল এবং নিজের ১৫ দফার প্রস্তাব পেশ করল? এরপর বক্তব্যের এই যে কৌশল, যার অধিকাংশ ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এবং সামান্য কিছু ইরানের পক্ষ থেকে আসছে, তার মানে কী? এরপর ইরানি টেলিভিশন ঘোষণা করল যে, ইরান ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে- তার ফলাফলইবা কী? ট্রাম্প কি তার লক্ষ্য অর্জন অর্থাৎ ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র ও ভারী ক্ষেপণাস্ত্র রাখা থেকে বিরত রাখা এবং ইরানকে পুনরায় আমেরিকার বলয়ে (influence) ফিরিয়ে আনা বা অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে, নাকি ইরান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে? 

অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র কি সত্যিই আমেরিকার সম্মতিতে দক্ষিণ লেবানন লিটানি নদী পর্যন্ত দখল করে তাদের সীমানা বাড়াতে চাচ্ছে, যেমনটি ইহুদিদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দাবি করেছে? 

আর মুসলিমরা কেন বুঝতে পারছে না যে, ইসলামী রাষ্ট্র ‘খিলাফতে রাশিদাহ্‌-ই’ ট্রাম্পকে তার পূর্বসূরি রোমান কায়সার ও পারস্যের কিসরাদের পরিণতি ভোগ করাবে? এই খিলাফত ট্রাম্প ও তার অনুসারীদের কঠোরভাবে দমন করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র তাদের দিকেই ফিরিয়ে দেবে, যার ফলে ইসলাম ও মুসলিমরা সম্মানিত হবে এবং কুফর ও কাফিররা ধ্বংস হবে।

উত্তর:

উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর তিনটি ভাগে স্পষ্ট করার জন্য আমরা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছি:

প্রথমত: প্রশ্নের প্রথম অংশ- ট্রাম্পের লক্ষ্য কি ইরানকে অনুগত করা, নাকি বলয়ে রাখা, নাকি ইরান স্বাধীন হবে:

১. গত শনিবার (২৮/০২/২০২৬) সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে সে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত তার বাহিনীর মাধ্যমে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয়। তার সাথে যোগ দেয় তার ঘনিষ্ঠ মিত্র নেতানিয়াহু। এটি আমেরিকার সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইরানের ভেতরে, বিশেষ করে রেভল্যুশনারি গার্ডের (পাসদারান) অনমনীয় অবস্থানকে প্রকাশ করে দিয়েছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের কাছে এমন গভীর ছাড় দাবি করতে শুরু করেছে যা ইরানকে সম্পূর্ণ একটি অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত করবে। নেতৃত্ব হত্যা এবং একই সাথে বলয়ে অবস্থান-এই দুইয়ের সমন্বয় অসম্ভব। আমেরিকা ইরানের ওপর এই যুদ্ধ তাকে তার বলয় থেকে বের করে দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ছেড়ে দেওয়ার জন্য শুরু করেনি; বরং আমেরিকা আত্মবিশ্বাসী ছিল যে প্রথম আঘাতেই (Shock therapy) ইরানকে কাবু করে অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত করা যাবে। এর অর্থ হলো-ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের অভ্যন্তরে এমন কিছু নেতৃত্বের সাথে সমন্বয় করছিল যারা প্রথম আঘাতের পর, অর্থাৎ বর্তমান অনমনীয় শীর্ষ নেতাদের হত্যার পর ক্ষমতার হাল ধরবে। কিন্তু তা ঘটেনি! রেভল্যুশনারি গার্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

এ কারণে ট্রাম্প এবং অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র হতবাক হয়ে যায় যে, ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো সুসংহত এবং তারা নজিরবিহীন সাহসিকতার সাথে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ইরানের এই হামলা অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানে। ট্রাম্প এক পর্যায়ে বলে যে, "যাদের ক্ষমতায় আসার আশা করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে কেউ কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে নিহত হয়েছেন!" আমেরিকা ভেবেছিল ইরানের এই কঠোর প্রতিক্রিয়া হয়তো সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর কিছু নেতার আবেগপ্রসূত আচরণ, তাই তারা নতুন 'রেহবার' বা পথপ্রদর্শক নিয়োগের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে মুজতবা খামেনির নিয়োগ এবং কয়েক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, ইরানি শাসনব্যবস্থা এখনও আমেরিকা-বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে স্থিতিশীল রয়েছে।

২. প্রতীয়মান হচ্ছে যে, আমেরিকা ও অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রের হিসাব-নিকাশ ভুল ছিল। যখন তারা ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করে, তখন দেখা যায় তারা যুদ্ধের জন্য খুব সংক্ষিপ্ত সময় (মাত্র চার দিন) নির্ধারণ করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল একটি আচমকা বড় হামলার মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেয়া। তারা ভেবেছিল শীর্ষ নেতাদের সরিয়ে দিলেই দ্বিতীয় সারির নেতারা আত্মসমর্পণ করবে, যেমনটি ভেনেজুয়েলায় ঘটেছিল। কিন্তু ইরানে তা হয়নি। আলি খামেনি ও অন্যান্য শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ার পরও রেভল্যুশনারি গার্ড অটল থাকে এবং আগ্রাসন মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার সেই পুরোনো সম্পর্ক (যেখানে ইরান আমেরিকার বলয়ে থেকে কাজ করত) ছিন্ন হয়ে গেছে। আমেরিকা এখন এই সম্পর্কের পরিবর্তন চায়, নইলে তারা এই আগ্রাসন চালাত না এবং অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রকে খামেনিসহ শীর্ষ নেতাদের হত্যার অনুমতি দিত না। এটি প্রমাণ করে আমেরিকা ইরানকে ‘বলয়ভুক্ত রাষ্ট্র’ থেকে ‘অনুগত রাষ্ট্রে’ রূপান্তর করতে চায়। কিন্তু তারা তা করতে না পেরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

৩. ট্রাম্প প্রশাসনের এই ভুল হিসাবের প্রমাণ পাওয়া যায় তার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হেগসেথের ১০/০৩/২০২৬-এর বক্তব্যে: "আমি বলতে পারি না যে আমরা ঠিক এমন প্রতিক্রিয়াই আশা করেছিলাম।" একইভাবে ১২/০৩/২০২৬-এ নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, "ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে শীর্ষ নেতাদের হত্যা করলে আরও বাস্তববাদী (Pragmatic) নেতারা ক্ষমতায় আসবে যারা যুদ্ধ শেষ করতে (অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করতে) চাইবে।" কিন্তু যখন তারা দ্রুত আত্মসমর্পণ দেখল না, তখন ট্রাম্প দুই সপ্তাহ বা চার সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার কথা বলতে শুরু করে। তিনি যেকোনো উপায়ে নিজেকে বিজয়ী হিসেবে দেখিয়ে যুদ্ধ শেষ করতে চায়, যাতে আফগানিস্তানের (২০২১) মতো পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ফিরতে না হয়। বিশেষ করে সামনে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ২০২৮-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে সে অভ্যন্তরীণ চাপ এড়াতে একটি "মৌখিক বিজয়" খুঁজছে।

৪. এরপর ট্রাম্প সময়সীমা (Deadline) বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করে। ২২ মার্চ তিনি ৪৮ ঘণ্টার চরমপত্র দেয়, ২৩ মার্চ তা ৫ দিন বাড়ায় এবং ২৬ মার্চ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেন। এই সময়সীমা বাড়ানোর উদ্দেশ্য হলো ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা। পাশাপাশি এটি ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন বা স্থল অভিযানের প্রস্তুতির একটি আবরণও হতে পারে।

৫. ট্রাম্পের সামনে এখন ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ অর্থাৎ আগুনের নিচে বসে আলোচনার প্রস্তাব ছাড়া আর কিছু নেই। সে পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফার একটি পরিকল্পনা পাঠিয়েছে। যার মূল কথা হলো: পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের মতো স্থাপনা ধ্বংস করা, আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তা বন্ধ করা এবং হর্মুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখা। এটি মূলত ইরানের জন্য একটি ‘আত্মসমর্পণের দলিল’। ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকেও এ ব্যাপারে চাপ দিতে ফোন করেছিল, কিন্তু তাতে সফল হয়নি। ইরান সরকারিভাবে এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে, যার অর্থ হলো তারা "অনুগত রাষ্ট্র" হতে রাজি নয়। বিনিময়ে ইরান ৫ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে (হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা, ক্ষতিপূরণ দেওয়া, সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি ইত্যাদি), যা আমেরিকার ১৫ দফার সাথে কোনোভাবেই মেলে না। 

৬. এতদসত্ত্বেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছে যে, তারা সরাসরি আলোচনা না করলেও মার্কিন দূতের কাছ থেকে বার্তা পাচ্ছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ইরানের শাসনব্যবস্থার মধ্যে কেউ কেউ আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারে, কিন্তু রেভল্যুশনারি গার্ড এখনো অনেক বেশি কঠোর এবং তারা আমেরিকার স্বার্থে আঘাত হানা অব্যাহত রেখেছে। 

৭. উপরোক্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করলে প্রথম অংশের সারসংক্ষেপ দাঁড়ায়:

ক) রেভল্যুশনারি গার্ড ইরানকে আমেরিকার প্রভাবমুক্ত করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়তে লড়াই করছে।

খ) ইরানের শাসনব্যবস্থার কিছু লোক দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে আছে এবং তারা বড়জোর আমেরিকার বলয়ে ফিরে যেতে চায়। ট্রাম্পের ভাষায় সে ইরানে "সঠিক লোকদের" সাথে কথা বলছে।

গ) ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো ইরানকে তার অনুগত করা এবং দেশটির তেল-গ্যাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। যদি ইরানের ভেতরের সেই "সঠিক লোকগুলো" ক্ষমতায় বসাতে পারে, তবে ট্রাম্পের স্বপ্ন পূরণ হবে। আর যদি রেভল্যুশনারি গার্ড সামরিকভাবে টিকে থাকে, তবে ইরান স্বাধীনতার দিকে যাবে, কারণ এই যুদ্ধ আমেরিকার বলয়ের সাথে ইরানের শেষ বন্ধনটিও ছিঁড়ে ফেলেছে। 

দ্বিতীয়ত: প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশ- ইহুদি রাষ্ট্র কি আমেরিকার সম্মতিতে লিটানি নদী পর্যন্ত এলাকা দখল করতে চায়?

লেবানন প্রসঙ্গে অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ঘোষণা করেছে যে, তার বাহিনী লিটানি নদী পর্যন্ত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সেখানে একটি বাফার জোন তৈরি করবে। তবে দক্ষিণ লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের কারণে এটি তাদের সেনাবাহিনীর জন্য মোটেও সহজ হবে না। মনে রাখতে হবে, অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র ততক্ষণই লড়তে পারে যতক্ষণ আমেরিকার সাহায্য তাদের সাথে থাকে। আমেরিকার এই আগ্রাসন থেমে গেলে তারাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে থেমে যাবে।

তৃতীয়ত: প্রশ্নের তৃতীয় অংশ—খিলাফত রাষ্ট্রই ইসলাম ও মুসলিমদের মর্যাদা ফিরিয়ে আনবে:

১. বর্তমান মুসলিম শাসকদের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। তাই উম্মাহ্‌’র একমাত্র আশা হলো ‘খিলাফতে রাশিদাহ্‌’, যা একটি সচেতন রাজনৈতিক নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। ইতিহাসের পাতায় সাক্ষী আছে, মুসলিমরা রোমান ও পারস্যের মতো পরাশক্তিকে পরাজিত করেছিল। আমেরিকার পরিণতিও তাই হবে; ইনশাআল্লাহ্‌ তারা তাদের ঘাঁটি বন্ধ করতে এবং আটলান্টিকের ওপারে পিছু হটতে বাধ্য হবে। ট্রাম্প ও তার মতো দাম্ভিকদের নাক ধুলোয় মিশে যাবে। আল্লাহ্‌ বলেন: "কাফিরদের বলে দাও, শীঘ্রই তোমরা পরাভূত হবে এবং তোমাদেরকে জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নেয়া হবে; আর সেটি কতইনা নিকৃষ্ট আবাস!" (সূরা আলি ইমরান: ১২)

২. যদিও ইরান আমেরিকার ঘাঁটিতে এবং অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রে আঘাত করছে, কিন্তু খিলাফত কায়েম না হওয়া পর্যন্ত তারা আমেরিকাকে পুরোপুরি হটিয়ে দিতে পারবে না। খিলাফত রাষ্ট্র যখন প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন তা মুসলিম দেশগুলোর ভেতরের দালালদের উৎখাত করবে এবং আমেরিকার ঘাঁটিগুলো উপড়ে ফেলবে। এই খিলাফতের জোয়ারে ফিলিস্তিন স্বাধীন হবে এবংঅবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র পদদলিত হবে। অনেকে একে কল্পনা মনে করলেও, মুসলিম উম্মাহ্‌’র হৃদয়ে যে আক্বিদাহ্‌ ও জুলুমের বিরুদ্ধে ঘৃণা পুঞ্জীভূত হয়ে আছে, তা একদিন প্রবল স্রোতের মতো সব অন্যায়কে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। আল্লাহ্‌’র সাহায্য যখন আসবে, তখন কলমের বর্ণনার চেয়েও মহান বিজয় অর্জিত হবে। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন: "মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব" (সূরা: আর-রুম: ৪৭)

১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

০৪/০৪/২০২৬ ইংরেজি

#হিযবুত তাহ্‌রীর-এর আমির আতা বিন খলিল আবু আর-রাশতা কর্তৃক প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর হতে অনুবাদকৃত ও সংকলিত।

Previous Post Next Post