কীভাবে ট্রিলিয়নেয়ার হলেন ইলন মাস্ক? সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য!



খবর:

https://m.youtube.com/watch?v=NKMskjc7PK4&pp=ygUgTmV3czI0IOCmj-CmsuCmqCDgpq7gpr7gprjgp43gppU%3D 

মন্তব্য: 

পশ্চিমাদের কর্তৃক অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, বেসরকারীকরণ নীতি ইত্যাদি যেসব মুখরোচক নীতি শোনা যায়, তা মুলত ভন্ডামি ছাড়া কিছু নয়। কারণ, এটি এখন প্রকাশ্য যে, ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স সম্পূর্ণভাবে নাসা ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের বিলিয়ন ডলারের পাবলিক ফান্ডের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, এবং অ্যাপলের আইফোনের মূল প্রাণ—ইন্টারনেট, জিপিএস, টাচস্ক্রিন ও ‘সিরি’র মতো প্রতিটি প্রযুক্তিই মূলত মার্কিন সরকারি সংস্থা DARPA ও CIA-এর অর্থায়নে উদ্ভাবিত হয়েছিল। একইভাবে, আমাজন বা গুগলের মতো জায়ান্টরা সরকারি অনুদান, ডাকবিভাগ ও রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ব্যবহার করে ট্রিলিয়ন ডলার আয় করলেও, সেই মুনাফা আড়াল করতে আয়ারল্যান্ড বা কেম্যান আইল্যান্ডের মতো কর ফাঁকির স্বর্গরাজ্যগুলোতে (Tax Havens) টাকা পাচার করে জনগণের অবদানকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে।

পশ্চিমের এই পুঁজিবাদী জায়ান্ট করপোরেশনগুলো বসনিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান ও সর্বশেষ গাজায় নির্মম গণহত্যা, বর্ণবাদ ও জাতিগত নিধনে মার্কিন সরকারের প্রধান অংশীদার ও প্রযুক্তি সরবরাহকারী। সুতরাং, মাস্কের ট্রিলিয়নিয়ার হয়ে ওঠা কোন সুখকর গল্প নয়, বরং এই দুর্বৃত্তায়নেরই ফলাফল। 

অথচ পশ্চিমারা যখন সম্পূর্ণ অন্ধকার যুগে নিমজ্জিত ছিল, তখন ইসলামী খিলাফত ব্যবস্থার অধীনে আশ-শামে বাদিউজ্জামান আল-জাজারির মতো মুসলিম বিজ্ঞানীরা আমিরের ওযুর সুবিধার্থে ইতিহাসের প্রথম প্রোগ্রামযোগ্য রোবট তৈরি করেছিলেন, যা ছিল মূলত মানুষের সেবা ও কল্যাণের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। এর বিপরীতে, পশ্চিমা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে মারণাস্ত্রের ব্যবসায়ীরা সেই রোবোটিক্স, ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তিকে ড্রেসিংরুমে বসে যুদ্ধের ভিডিও গেম খেলার মতো করে নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরানো এবং গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্রে রূপান্তরিত করেছে। অতীতে খিলাফতের অধীনে বিজ্ঞান ও ন্যায়বিচারের যে গৌরবময় শতাব্দী ছিল, সেই আদর্শের পুনরুজ্জীবন আজ অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

    -    আবু ইব্রাহিম

Previous Post Next Post